রুকইয়াহ আয়াত লাইব্রেরি

Explore verified Quranic verses for spiritual healing, protective prayers, and authentic Islamic remedies.

Arabic Size:
Translation Size:

Ruqyah Common Ayat

1 Surah Al-Fatiha (1-7)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ - الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ - الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ - مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ - إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ - اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ - صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি সকল সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক। যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু। বিচার দিনের মালিক। আমরা একমাত্র আপনারই ইবাদত করি এবং একমাত্র আপনারই সাহায্য প্রার্থনা করি। আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করুন। সে সকল লোকের পথ, যাদেরকে আপনি অনুগ্রহ দান করেছেন; তাদের পথ নয়, যারা আপনার ক্রোধের পাত্র হয়েছে, এবং নয় পথভ্রষ্টদের পথ।
2 Surah Al Bakarah ( 1-5)
الـم (1) ذَٰلِكَ الْكِتَابُ لَا رَيْبَ ۛ فِيهِ ۛ هُدًى لِلْمُتَّقِينَ (2) الَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِالْغَيْبِ وَيُقِيمُونَ الصَّلَاةَ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنْفِقُونَ (3) وَالَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْكَ وَمَا أُنْزِلَ مِنْ قَبْلِكَ وَبِالْآخِرَةِ هُمْ يُوقِنُونَ (4) أُولَٰئِكَ عَلَىٰ هُدًى مِنْ رَبِّهِمْ ۖ وَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ (5)
(১) আলিফ-লাম-মীম। ২) এটি সেই কিতাব যাতে কোনই সন্দেহ নেই, মুত্তাকীদের জন্য পথ নির্দেশ। (৩) যারা অদৃশ্যের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, নামায কায়েম করে এবং আমি তাদেরকে যা দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে। (৪) এবং যারা বিশ্বাস স্থাপন করে সেসব বিষয়ের ওপর যা আপনার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং যা আপনার পূর্বে অবতীর্ণ হয়েছে আর আখেরাতের ওপর যারা নিশ্চিত বিশ্বাস রাখে। (৫) তারাই তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে সঠিক পথের ওপর রয়েছে এবং তারাই সফলকাম।
3 Surah Al- Bakarah ( 102 )
وَاتَّبَعُوا مَا تَتْلُوا الشَّيَاطِينُ عَلَىٰ مُلْكِ سُلَيْمَانَ ۖ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَانُ وَلَٰكِنَّ الشَّيَاطِينَ كَفَرُوا يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ وَمَا أُنزِلَ عَلَى الْمَلَكَيْنِ بِبَابِلَ هَارُوتَ وَمَارُوتَ ۚ وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّىٰ يَقُولَا إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌ فَلَا تَكْفُرْ ۖ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِ بَيْنَ الْمَرْءِ وَزَوْجِهِ ۚ وَمَا هُم بِضَارِّينَ بِهِ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ ۚ وَيَتَعَلَّمُونَ مَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنفَعُهُمْ ۚ وَلَقَدْ عَلِمُوا لَمَنِ اشْتَرَاهُ مَا لَهُ فِي الْآخِرَةِ مِنْ خَلَاقٍ ۚ وَلَبِئْسَ مَا شَرَوْا بِهِ أَنفُسَهُمْ ۚ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ
আর তারা সেই বিষয়ের অনুসরণ করল, যা শয়তানরা সুলায়মানের রাজত্বকালে আবৃত্তি করত। অথচ সুলায়মান কুফরি করেননি; বরং শয়তানরাই কুফরি করেছিল। তারা মানুষকে যাদু শিক্ষা দিত এবং বাবিলে হারূত ও মারূত নামে দুই ফেরেশতার ওপর যা অবতীর্ণ হয়েছিল, তাও শিক্ষা দিত। কিন্তু তারা কাউকে কিছু শিক্ষা দিত না, যতক্ষণ না বলত, “আমরা তো কেবল একটি পরীক্ষা; সুতরাং তুমি কুফরি করো না।” তারপরও মানুষ তাদের কাছ থেকে এমন বিষয় শিখত, যার মাধ্যমে তারা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাত। অথচ আল্লাহর অনুমতি ছাড়া তারা এর দ্বারা কারও কোনো ক্ষতি করতে পারত না। আর তারা এমন জিনিসই শিখত যা তাদের ক্ষতি করত, কোনো উপকার করত না। আর তারা অবশ্যই জানত যে, যে ব্যক্তি এটি ক্রয় করবে (অর্থাৎ যাদুকে গ্রহণ করবে), আখিরাতে তার কোনো অংশ থাকবে না। আর কতই না নিকৃষ্ট সেই বস্তু, যার বিনিময়ে তারা নিজেদেরকে বিক্রি করেছে—যদি তারা জানত!
4 Surah Al- Bakarah ( 163 -164)
وَإِلَٰهُكُمْ إِلَٰهٌ وَاحِدٌ ۖ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الرَّحْمَٰنُ الرَّحِيمُ (163) إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَاخْتِلَافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ...
অর্থ: (১৬৩) আর তোমাদের উপাস্য একমাত্র উপাস্য। তিনি ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই, তিনি অতি দয়ালু ও পরম করুণাময়। (১৬৪) নিশ্চয়ই আসমান ও জমীনের সৃষ্টিতে, রাত ও দিনের পরিবর্তনে... (এই দুই আয়াতে আল্লাহর একত্বের ঘোষণা রয়েছে)।
5 Surah Al- Bakarah ( 255 )
اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ مَن ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِندَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ ۖ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
আল্লাহ, তিনি ছাড়া অন্য কোনো (সত্য) উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও জমিনে যা কিছু রয়েছে সবই তাঁর। কে সেই ব্যক্তি, যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর নিকট সুপারিশ করবে? তাদের (সৃষ্টির) সামনে ও পেছনে যা কিছু আছে তা তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানভাণ্ডার থেকে তারা কোনো কিছুই আয়ত্ত করতে পারে না, কেবল যতটুকু তিনি ইচ্ছে করেন। তাঁর কুরসি (সিংহাসন) আসমান ও জমিনব্যাপী পরিব্যাপ্ত। আর এ দুটির রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না। তিনি সুউচ্চ, সুমহান।
6 Surah Al- Bakarah (285-286)
آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ ۚ كُلٌّ آمَنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ ۚ وَقَالُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُلَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا ۚ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ ۗ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ ۖ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا ۚ أَنتَ مَوْلَانَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ
285-- রাসূল তাঁর প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে ঈমান এনেছেন, আর মুমিনরাও। তারা সকলেই আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ এবং তাঁর রাসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছে। তারা বলে, “আমরা তাঁর কোনো রাসূলের মধ্যে পার্থক্য করি না।” আর তারা বলে, “আমরা শুনলাম এবং আনুগত্য করলাম। হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা আপনার ক্ষমা প্রার্থনা করছি, আর আপনারই নিকট প্রত্যাবর্তন।”286-- আল্লাহ কোনো ব্যক্তির ওপর তার সাধ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পণ করেন না। সে যা ভালো কাজ করে তার ফল সে-ই পাবে, আর যা মন্দ কাজ করে তার পরিণতিও সে-ই ভোগ করবে। “হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা যদি ভুলে যাই বা ভুল করে ফেলি, তবে আমাদের পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের ওপর এমন বোঝা চাপিয়ে দেবেন না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর চাপিয়েছিলেন। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এমন বোঝা বহন করতে বাধ্য করবেন না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই। আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদেরকে মার্জনা করুন এবং আমাদের প্রতি দয়া করুন। আপনিই আমাদের অভিভাবক। অতএব, কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন।”
7 Surah Al- Imran (18-19)
شَهِدَ اللَّهُ أَنَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ وَالْمَلَائِكَةُ وَأُولُو الْعِلْمِ قَائِمًا بِالْقِسْطِ ۚ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ--إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ ۗ وَمَا اخْتَلَفَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ إِلَّا مِن بَعْدِ مَا جَاءَهُمُ الْعِلْمُ بَغْيًا بَيْنَهُمْ ۗ وَمَن يَكْفُرْ بِآيَاتِ اللَّهِ فَإِنَّ اللَّهَ سَرِيعُ الْحِسَابِ
18---আল্লাহ সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তিনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। ফেরেশতাগণ এবং জ্ঞানীগণও (এ সাক্ষ্য দিয়েছেন)। তিনি ন্যায়বিচারের উপর প্রতিষ্ঠিত। তিনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই; তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।19---নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট একমাত্র গ্রহণযোগ্য দ্বীন হলো ইসলাম। যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছিল তারা জ্ঞান এসে যাওয়ার পরও নিজেদের পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষের কারণে মতভেদে লিপ্ত হয়েছিল। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শনসমূহ অস্বীকার করে, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ হিসাব গ্রহণে অত্যন্ত দ্রুত।
8 Surah Al-Araf (54-55)
54.... إِنَّ رَبَّكُمُ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ يُغْشِي اللَّيْلَ النَّهَارَ يَطْلُبُهُ حَثِيثًا وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ وَالنُّجُومَ مُسَخَّرَاتٍ بِأَمْرِهِ ۗ أَلَا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْرُ ۗ تَبَارَكَ اللَّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ 55...حَثِيثًا وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ وَالنُّجُومَ مُسَخَّرَاتٍ بِأَمْرِهِ ۗ أَلَا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْرُ ۗ تَبَارَكَ اللَّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ56.. وَلَا تُفْسِدُوا فِي الْأَرْضِ بَعْدَ إِصْلَاحِهَا وَادْعُوهُ خَوْفًا وَطَمَعًا ۚ إِنَّ رَحْمَتَ اللَّهِ قَرِيبٌ مِنَ الْمُحْسِنِينَ
54 নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ, যিনি আসমানসমূহ ও পৃথিবী ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশের উপর সমুন্নত হয়েছেন। তিনি রাত দ্বারা দিনকে আচ্ছাদিত করেন, যা দ্রুতগতিতে দিনের অনুসরণ করে। আর সূর্য, চন্দ্র ও নক্ষত্রসমূহ তাঁরই আদেশের অধীন। জেনে রাখো, সৃষ্টি ও নির্দেশ দেওয়ার একমাত্র অধিকার তাঁরই। কতই না বরকতময় আল্লাহ, যিনি সমগ্র জগতের প্রতিপালক।55 তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে বিনয়ের সঙ্গে এবং গোপনে ডাকো। নিশ্চয়ই তিনি সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।56 পৃথিবীতে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সেখানে বিপর্যয় সৃষ্টি করো না। আর তাঁকেই ভয় ও আশা নিয়ে ডাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহর রহমত সৎকর্মশীলদের খুবই নিকটবর্তী।
9 Surah Al- Araf (117-122)
وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ ۖ فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ117..118.. فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ 119.. فَغُلِبُوا هُنَالِكَ وَانقَلَبُوا صَاغِرِينَ 120..وَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِينَ 121...قَالُوا آمَنَّا بِرَبِّ الْعَالَمِينَ 112...رَبِّ مُوسَىٰ وَهَارُونَ
আর আমরা মূসার প্রতি ওহী করলাম, “তোমার লাঠি নিক্ষেপ কর।” তখনই তা তাদের মিথ্যা জাদুকর্ম যা তারা বানিয়েছিল, সব গিলে ফেলতে লাগল। অতঃপর সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো এবং তারা যা করছিল, তা সবই বাতিল হয়ে গেল। সুতরাং তারা সেখানেই পরাজিত হলো এবং লাঞ্ছিত ও অপমানিত অবস্থায় ফিরে গেল। আর জাদুকররা সিজদায় লুটিয়ে পড়ল। তারা বলল, “আমরা বিশ্বজগতের প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আনলাম— যিনি মূসা ও হারূনের প্রতিপালক।”
10 Surah Younus (81-82)
81....فَلَمَّا أَلْقَوْا قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ السِّحْرُ ۖ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ ۖ إِنَّ اللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ 82...وَيُحِقُّ اللَّهُ الْحَقَّ بِكَلِمَاتِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُجْرِمُونَ
81..অতঃপর তারা যখন (তাদের দড়ি ও লাঠি) নিক্ষেপ করল, তখন মূসা বললেন, “তোমরা যা এনেছ তা জাদু। নিশ্চয়ই আল্লাহ অচিরেই তা বাতিল করে দেবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের কাজ সফল করেন না।”82...আর আল্লাহ তাঁর বাণীর মাধ্যমে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করেন, যদিও অপরাধীরা তা অপছন্দ করে।
11 Surah Toha 69
وَأَلْقِ مَا فِي يَمِينِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوا ۖ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ ۖ وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَىٰ
তোমার ডান হাতে যা আছে (লাঠি) তা নিক্ষেপ করো, এটা তাদের কারসাজি গ্রাস করে ফেলবে। তারা যা করেছে তা তো কেবল জাদুকরের কৌশল মাত্র। জাদুকর যেখানেই আসুক, সে সফল হয় না।

Evil Eye (Short)

1 Surah Al-Falaq
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ - مِن شَرِّ مَا خَلَقَ
Say, "I seek refuge in the Lord of daybreak, From the evil of that which He created"

Evil Eye (Long)

1 Ayat Al-Kursi (Al-Baqarah: 255)
اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَّهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ
Allah - there is no deity except Him, the Ever-Living, the Sustainer of all existence. Neither drowsiness overtakes Him nor sleep. To Him belongs whatever is in the heavens and whatever is on the earth.
Shopping Cart
No products in the cart.